বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত দীর্ঘদিন ধরেই এক অস্বস্তিকর বাস্তবতার প্রতীক—যেখানে মানবিকতা, আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের
সীমান্ত হত্যা
ভারতের নয়াদিল্লিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৫তম সীমান্ত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামীকাল সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)।
ইবি প্রতিনিধি: সীমান্ত হত্যা ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘সীমান্ত হত্যা দুই দেশের (বাংলাদেশ-ভারত) ভালো সম্পর্কের পথে অন্তরায়।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে কিশোরী স্বর্ণা দাশ (১৪) হত্যা ও ভারতীয় সব আগ্রাসনের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশিদের হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সীমান্তে হত্যাকাণ্ডকে ‘নিষ্ঠুরতা’ আখ্যায়িত করে তা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নিরাপত্তা বৃদ্ধির মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার ব্যাপারে যৌথভাবে কাজ করবে দুই দেশ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন আবারো বলেছেন, সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে যেকোনো হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিএসএফের নির্যাতনের নতুন অভিযোগের ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত।
সীমান্তের জনগণকে সচেতন এবং আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করে তুলতে পারলে সীমান্ত হত্যা কমবে বলে মনে করেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম।